দেরাদুন ও সিমলা: উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশের বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের। বৃহস্পতিবার উদ্ধারকাজেনিযুক্ত আধিকারিকরা বলেছেন, যে ভাবে একের পর এক মৃতদেহের সন্ধান মিলছে, তাতেই আশঙ্কাটা আরও বেড়েছে। এখনও অন্তত ৬৫,০০০ মানুষ আটকে রয়েছেন। একাধিক দুর্গম স্থানে পৌঁছতেই পারছেন না উদ্ধারকারীরা। হেলিকপ্টারও নামতে পারছে না বহু জায়গায়।
বিশেষ করে কেদারনাথে পৌঁছনো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বেস ক্যাম্প থেকে মূল মন্দির পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার রাস্তা স্রেফ মুছে গিয়েছে। অত্যন্ত খারাপ আবহাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারও সেখানে যেতে পারেনি। তবে কেদারনাথ লাগোয়া এলাকায় খাবারের প্যাকেট ফেলা সম্ভব হয়েছে। মন্দির ও আশপাশের এলাকায় অন্তত ৫,০০০ লোক আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা। কাদাজলে মন্দিরের অনেকটাই ডুবে গিয়েছে। তবে সে ভাবেক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
প্রশাসনের আশঙ্কা, উত্তরাখণ্ডের অন্তত ৯০টি ধর্মশালা বন্যার তোড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। সরকারের আশঙ্কা, সেখানে আশ্রয় নেওয়া অধিকাংশপর্যটকই মারা গিয়েছেন। উত্তরাখণ্ড পুলিশের আইজি আরএস মীনা জানিয়েছেন, হেমকুণ্ড সাহেবের পথে কেদারনাথ ও গোবিন্দঘাট থেকে এখনওপর্যন্ত অন্তত ১৫,০০০ মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের যোসীমঠে আনা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রথমে ১২টি কপ্টার আনা হলেও,পরে আরও ৮টি আনা হয়েছে।
বিশেষ করে কেদারনাথে পৌঁছনো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বেস ক্যাম্প থেকে মূল মন্দির পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার রাস্তা স্রেফ মুছে গিয়েছে। অত্যন্ত খারাপ আবহাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারও সেখানে যেতে পারেনি। তবে কেদারনাথ লাগোয়া এলাকায় খাবারের প্যাকেট ফেলা সম্ভব হয়েছে। মন্দির ও আশপাশের এলাকায় অন্তত ৫,০০০ লোক আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা। কাদাজলে মন্দিরের অনেকটাই ডুবে গিয়েছে। তবে সে ভাবেক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
প্রশাসনের আশঙ্কা, উত্তরাখণ্ডের অন্তত ৯০টি ধর্মশালা বন্যার তোড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। সরকারের আশঙ্কা, সেখানে আশ্রয় নেওয়া অধিকাংশপর্যটকই মারা গিয়েছেন। উত্তরাখণ্ড পুলিশের আইজি আরএস মীনা জানিয়েছেন, হেমকুণ্ড সাহেবের পথে কেদারনাথ ও গোবিন্দঘাট থেকে এখনওপর্যন্ত অন্তত ১৫,০০০ মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের যোসীমঠে আনা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রথমে ১২টি কপ্টার আনা হলেও,পরে আরও ৮টি আনা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment