Twitter

Follow palashbiswaskl on Twitter

Memories of Another day

Memories of Another day
While my Parents Pulin babu and Basanti devi were living

Wednesday, February 13, 2013

হেলিকপ্টার চুক্তিতে ইতালিয় সংস্থার দুর্নীতি, তদন্তে সিবিআই

হেলিকপ্টার চুক্তিতে ইতালিয় সংস্থার দুর্নীতি, তদন্তে সিবিআই

ইতালির সঙ্গে ভারত সরকারের হেলিকপ্টার চুক্তির তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। ইতালির প্রতিরক্ষা দফতরের আধিকারিকের বিরুদ্ধে ৪০০০ কোটি টাকার চুক্তিতে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। যার জেরে মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। 

এ দিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, বিভাগীয় তদন্তে ভিআইপি ১২ চপার কেনার চুক্তিতে কোনও বেনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলত এখনই প্রধানমন্ত্রী সহ একাধিক প্রথম সারির নাগরিকদের ব্যবহৃত হেলকপ্টারগুলির উড়ান বাতিল করা হচ্ছে না। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে ইতালির ওই সংস্থার সঙ্গে হেলিকপ্টার চুক্তি হয়। ইতিমধ্যেই তিনটি চপার ভারতের হাতেও তুলে দিয়েছে সংস্থাটি। 

ফিনমেকানিকা-র (Finmeccanica) সিইও গুইসেপে ওরসিকে (Giuseppe Orsi) আজ রোম থেকে গ্রেফতার করে সে দেশের পুলিস। গত এক মাস ধরে তাঁকে জেরা করা হচ্ছিল। ২০১০-এর হেলিকপ্টার চুক্তিতে কোনও দুর্নীতির কথা আগাগোড়াই অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ওই আধিকারিক। 

সংস্থাটির তরফে গত ফেব্রুয়ারিতে জারি করা একটি বিবৃতিতে ভারতকে হেলিকপ্টর বিক্রি করা নিয়ে কোনও দুর্নীতির কথা অস্বীকার করা হয়। 

http://zeenews.india.com/bengali/nation/govt-orders-cbi-probe-into-vip-chopper-deal-after-head-of-italian-firm-finmeccanica-is-arrested_11365.html

কপ্টার-দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই
নমোহন-সরকারের মুখে এ বার হেলিকপ্টার-দুর্নীতির কালি। অভিযোগ, ঘুষ দিয়ে ভারত সরকারকে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা দামের এক ডজন কপ্টার বিক্রি করেছে একটি ইতালীয় সংস্থা। ইতালির পুলিশ আজ সংস্থা-প্রধানকে গ্রেফতার করেছে। তাতেই প্রশ্ন উঠেছে, কার পকেটে গিয়েছে এই ঘুষের অর্থ, যার পরিমাণ অন্তত ৪০০ কোটি টাকা? প্রবল চাপের মুখে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি ঘটনার সিবিআই-তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু বিজেপি-র প্রশ্ন, ইতালিতে অনেক আগেই এই হেলিকপ্টার কেনাবেচা নিয়ে তদন্ত শুরু হলেও মনমোহন-সরকার এত দিন হাত গুটিয়ে বসেছিল কেন?
২০১০ সালে ব্রিটেনের অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ডের সঙ্গে ১২টি এ ডব্লিউ-১০১ হেলিকপ্টার কেনার চুক্তি করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী-সহ ভিভিআইপি-দের যাতায়াতের জন্যই অত্যাধুনিক কপ্টারগুলি কেনার চুক্তি হয়। দাম নির্ধারিত হয় ৫৬০ মিলিয়ন ইউরো বা ৭৩৫ মিলিয়ন ডলার। ভারতীয় টাকায় ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ইতিমধ্যেই তিনটি কপ্টার ভারতীয় বিমানবাহিনীতে যোগও দিয়েছে।
গত অক্টোবরে এই দুর্নীতির গন্ধ পায় ইতালি পুলিশ। অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড যে সংস্থার অধীন, সেই ইতালীয় সংস্থা ফিনমেকানিকা-র প্রধান গিউসেপ্পে ওরসি-র সঙ্গে এক জন দালালের কথোপকথনের রেকর্ড পাওয়া যায়। ওই দালালের সঙ্গে বেশ কিছু ভারতীয়ের কথাবার্তার রেকর্ডও তাদের হাতে রয়েছে বলে ইতালি পুলিশের দাবি। তাদের অভিযোগ, এই কপ্টার বিক্রির চুক্তি পাকা করে দেওয়ার জন্য একটি সুইস-সংস্থাকে ৫.১ কোটি ইউরো ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ মোট চুক্তি-মূল্যের ১০ শতাংশ টাকা 'কমিশন' বা ঘুষ হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। যে ঘুষের টাকা হাত ঘুরে মনমোহন-সরকারের মন্ত্রী-আমলাদের পকেটেই এসে পৌঁছেছে বলে অভিযোগ। ফিনমেকানিকা-র তরফে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, সরকারি নিয়ম মেনেই চুক্তি হয়েছে।
http://www.anandabazar.com/13desh10.html

No comments:

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...