Twitter

Follow palashbiswaskl on Twitter

Memories of Another day

Memories of Another day
While my Parents Pulin babu and Basanti devi were living

Monday, February 11, 2013

বিরোধীদের ভাগাড়ের শকুন বললেন মুখ্যমন্ত্রী

বিরোধীদের ভাগাড়ের শকুন বললেন মুখ্যমন্ত্রী

http://eisamay.indiatimes.com/articleshow/18461306.cms

বিরোধীদের ভাগাড়ের শকুন বললেন মুখ্যমন্ত্রী
ব্যস্ত পাঠ। সোমবার ভাঙড়ের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী। ছবি-- অভিজ্ঞান নস্কর
অমিত চক্রবর্তী 

ভাঙড়: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তৃণমূলকে শকুন বলে কটাক্ষ করেছিলেন৷ বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুপ থাকবেন কেন? তিনিও বিরোধীদের উদ্দেশে বললেন, 'ওরা বসে আছে ভাগাড়ের শকুনের মতো৷ কখন মমতা মরবে, আর তার মাংস ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে৷' এখানেই থামেননি তিনি৷ সোমবার ভাঙড়ে এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'ওরা মমতাকে চেনে না৷ অত সহজে মমতা শেষ হয় না৷ মমতা যেখানে যাবে, সেখানেই সোনা ফলবে৷ এটা যেন ওরা মনে রাখে৷' 

ভাঙড়ে সিপিএম নেতা আব্দুর রেজ্জাক মোল্লার উপর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আরাবুলের বাহিনীর হামলা নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, তখন ওই ঘটনার এক মাসের বেশি সময় পরে এ দিন মুখ্যমন্ত্রী ভাঙড়ে পা রাখলেন৷ সেখানে তিনি একগুচ্ছ প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন৷ সংখ্যালঘুদের জন্য যে সাচার কমিটির সুপারিশ মেনে ৯৯ শতাংশ কাজ শেষ করে দেওয়ার পুরোনো দাবিই আবার উচ্চারণ করলেন৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, 'প্রচুর কাজ করে দিয়েছি৷ আরও কাজ করব৷ এমন করব যে, বাংলা থেকে কাউকে আর কাজের জন্য অন্য কোথাও যেতে হবে না৷ অন্য রাজ্য থেকেই মানুষ এখানে আসবে৷' 

গত সপ্তাহে বুদ্ধবাবু দু'টি বেসরকারি চ্যানেলে মুখ্যমন্ত্রীর সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন৷ তা নিয়ে তৃণমূল অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে৷ তার পর থেকে শাসক এবং বিরোধী এই দু'দলের তরজা লেগেই রয়েছে৷ সেই তরজায় কখনও কখনও শালীনতাও সীমা অতিক্রম করে যাচ্ছে৷ তার আগে থেকেই অবশ্য কু-কথার প্রতিযোগিতা চলছিল৷ রবিবার শহিদ মিনার ময়দানের সমাবেশে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু দলের কর্মী-নেতাদের ভাষায় সংযত হতে বলেছেন৷ সিপিএম নেতাদের কারও কারও মুখে খারাপ কথা শোনা গেলেও পরে তাঁরা তার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়ে নেন৷ কিন্তু শাসকদলের কোনও নেতা-মন্ত্রীই অবশ্য এখন পর্যন্ত সেই পথে হাঁটেননি৷ 

সিপিএম এবং কংগ্রেস রাজ্য সরকারের নানা উত্‍সব নিয়ে কটাক্ষ চালিয়ে যাচ্ছে৷ কিছুদিন আগেই উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের কটাক্ষের জবাবে মন্তব্য করেছিলেন, 'উত্‍সব করব না তো কি শ্রাদ্ধ করব?' কেউ কেউ আবার পানাগড়ের মাটি উত্‍সবকে 'ঝুলন' বলেও ব্যঙ্গ করেন৷ সোমবার ভাঙড়ের সভায় তাঁদের সেই ব্যঙ্গকে ফিরিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শিল্পের নতুন ব্যাখ্যা দেন৷ এর আগে তিনি গান-বাজনা-নৃত্যকলাকেও শিল্পের পর্যায়ে ফেলেছিলেন৷ আর এ দিন তিনি ঝুললকেও 'শিল্প' তকমা দিয়ে বিরোধীদের উদ্দেশে বলেন, 'আমরা তো ছোটবেলায় কত ঝুলন সাজিয়েছি৷ কখনও ঝুলন করে দেখেছেন? করবেন কী, কৃষ্ণ মানেন না, রাম মানেন না, রহিম মানেন না৷ পুজো করেন না, ঈদও করেন না৷ আমি সব করি৷ ঈদ করি, পুজো করি৷ কারণ আমি নজরুল ইসলামের সেই গান 'মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম, হিন্দু-মুসলমান'-এ বিশ্বাস করি৷' তিনি আরও বলেন, 'মাটি উত্‍সব করব না তো কিউবা উত্‍সব করব? সব কিছুতে শুধু সমালোচনা?' এই সভায় মুখ্যমন্ত্রী ফের দাবি করেন, জঙ্গলমহল এবং পাহাড় হাসছে৷ 

ইদানীং মুখ্যমন্ত্রী অনেক সরকারি সভায় বলেন, 'সরকারি মঞ্চ থেকে আমার রাজনৈতিক কথা বলতে ইচ্ছে করে না৷ কিন্তু কখনও কখনও বলতে বাধ্য হই৷ দাজিলিঙে যখন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিমল গুরুঙের সামনেই গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সমর্থকরা গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে স্লোগান দেন, তখন ক্ষুব্ধ মমতা হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, 'এটা সরকারি সভা৷ এখানে রাজনীতির কথা বলবেন না৷ তার জন্য আলাদা মঞ্চ রয়েছে৷ কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী সব সরাকরি সভাতেই রাজনীতির কথা বলে চলেছেন৷ এ দিন ভাঙড়েও তিনি জনতার উদ্দেশে বলেন, 'আপনারা পঞ্চায়েত ভোটে আমাকে সাহায্য করুন৷ পঞ্চায়েত চুরির জায়গা নয়৷ কী করে কাজ করতে হয়, আমি দেখিয়ে দেব৷'

No comments:

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...